#হয়তো ভালোবেসে
পার্ট-২
নিধি বাসায় একা !?
নিধি মাথায় কিছুই কাজ করতেছেন না সে কী করবে?
তার কি করা উচিত!
গলা থেকে ওরনাটা ছড়িয়ে চেয়ারের উপর বসার টুল দিয়ে ফ্যানের সাথে সে ওড়না ভালো
করে বাদলো।
আর সকল কষ্টের কথা গুলো মনে করতে থাকলো..
সে ভেবে দেখল সে কোথাও সুখি না.।
তাই সে গলায় ওড়না পেচিয়ে যখনই বসার টুলটা লাথি মারলো,
ঠিক তখনই ফ্যান নিয়ে মাটিতে পড়ল।
না সে এখন কী করবে?
সে তো বাচঁতে চায় না. তাহলে কেনো এমন হচ্ছে।
সে এবার অন্য একটা বিষয় মাথা আনল।
যেহেতু সে আগে থেকেই মানসিক প্যাড়ায় আছে।
আর তাছাড়া তার ঘুম আসছেন, তাই তার ঘুমের জন্য
আগে থেকে তার বাসায় কিছু ঘুমের ঔষুধ ও জ্বরের ট্যাবলেট রয়েছে.
তাই সে ঘুমের ঔষুধ চার-পাঁচটা খাওয়ার ফলে এবং সারাদিন না খাওয়া
সে বমি করে একদম খারাপ অবস্থা.
তার মেঝে ভাবী ঠিক তখন তার কাছে কোনো এক সমস্যা নিয়ে আসে
জানার জন্য কিন্তু এসে দেখে নিধি মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে।
তাৎক্ষনিক ভাইদের মাধ্যমে হসপিটাল।
*বলে রাখা ভালো*
রিহানের সাথে বিয়ের আগে নিধির আর একটা বিয়ে হয়.
ঠিক প্রায় ১০ বছর আগে.।
নিধির ১০ বছরেরর একটা মেয়েও আছে.।
হসপিটাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে নিধি।
কেউ কিছু বলছে না. কারণ আজ দুপুরে নিধির বড় ভাই আসলাম সাহেব
নিধিকে অনেক গালি গালাজ ও রাগা রাগি করেছে।
সবাই ভেবেছে এ জন্য হয়তো নিধি বিষ খেয়েছে।
-
নিধিকে নিধির ভাবি বুঝাতে লাগল
দেখ নিধি প্রত্যেকের জীবনে ঘাত অভিঘাত হতে পারি..
দূঘর্টনা ঘটতে পারে.।
দেখ ভুল যতই পুরুষরা করুক না কেনো? দিন
শেষে মেয়েদের কাধে এসেই পড়বে।
কারণ মেয়েরা বইতে জানে, সইতে জানে.।
হয়তো আল্লাহ পাাক তাই মেয়েরা দোষ না করার পরেও
মেয়েদের কাধে দোষ দেয়..।
-
কিন্তু আমার ভাষ্যমতে, বা চিন্তাধারায়..
-
এই সমাজ এমন কেনো?
আছে কোনো সত্যির উত্তর
নাকি ঐ মিথ্যে গুলো.
নারীদের করবে ধংবসের লিলা খেলায়,
এই নারী তো তোমার মা
তোমায় দেখিয়েছে পৃথিবী.।
তাহলে কেনো তোমরা
নারীকে করো অবহেলার ভরাডুবি।
আসলে তোমরা মানুষ রূপী পশু
নিজেদের আত্ম সম্মান রক্ষা করতে
পুরুষ জাতীকে করো হাস্য রস্য খেলা এক মরুভূমি।
আসলে তোমরা অন্ধ জাতি-ঐ নারীদের বেলায়।
-
-
নিধি মনে মনে ভেবে পাচ্ছে না কী করবে!?
হঠ্যাৎ নিধির দুপুরের কথা মনে পড়ে যায়।
নিধির বড় ভাই রাগারাগি করছে..
রাহাতের জন্য ও তাদের একমাত্র মেয়েদের জন্য।
এই রাহাত সাহেব নিধির প্রথম স্বামী।
...
নিধির ভাই আসলাম ভাই রাগারাগির করার কারণ হলো
তার ১০ বছরের ভাগনী..
তার ভাগনী ফোন দিয়ে কান্না করতাছে, মামা
আমাকে নিয়ে যাও, মামা আমার মা ও বাবাকে চাই।
-
আসলাম সাহেব তাই বোনকে বুঝাতে চেয়েছে তুই রাহাতের কাছে ফিরে
যা..
নিধির এক কথায় উত্তর না.. আমার মেয়ে যদি আমাকে বুঝতে পারে
তবে অবশ্যই আমার নিকট ফিরে আসবে।
-
নিধি রাহাতে’র কথা মনে করতে দশ বছর পিছনের কথা মনে পড়ে গেল.।
-
নিধি তখন ক্লাস অষ্টম শ্রেণী পড়ে.
-
নিধি মা আজ তোর স্কুলে যাওয়া লাগবে না (নিধির মা)
কেন মা? (নিধি)

0 Comments