![]() |
| "Watch Now 5" |
গল্পঃ #ভ্যাম্পায়ার লাভার (impossible love story)
পর্ব - ০১
লেখিকাঃ
#Urme_Prema
#Urme_Prema
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
Bangladesh
সকাল থেকে মন খারাপ প্রেমার ।আর মন খারাপ হবে না কেন আজ তাকে নিজের দেশ ছেরে যেতে হবে ইংলেন্ড এ । প্রেমা এবার HSC পরিক্ষা দিয়েছে ।বাবা মা আর ছোট ভাই বোনকে নিয়ে তার পরিবার ।আজ সন্ধ্যায় তারা বাংলাদেশ ছেরে ইংলেন্ড এর জন্য রওনা হবে । সেখানে তাদের পরিবারের সবাই আছে ।প্রেমার দাদাজী দাদিমা ২ চাচা চাচি ২ ফুপি নানা নানি ৩ খালা ১ মামা সবাই তারা ইংলেন্ডে থাকে শুধু প্রেমারা বাংলাদেশে থাকে । প্রেমার যখন ৫ বছরের তখন তারা বাংলাদেশে আসে । কারণটা আজ ও প্রেমার কাছে অজানা । আজ ১৩বছর পর আবার তারা ইংলেন্ড ফিরছে এক দিক থেকে তার কাছে খুব আনন্দ হচ্ছে ১৩ বছর পর তার পরিবারের সাথে দেখা হবে আর অন্যদিকে খারাপ লাগছে তার দেশকে ফ্রেন্ডদেরকে ছেরে যেতে হবে । বন্ধুর বোনের সঙ্গে প্রেম
প্রেমা দেখতে অসম্ভব সুন্দরী ।গায়েঁর রং হলুদ ফর্সা । বড় বড় চোখ আর চোখের মনি বাদামী । গালের তিলটা যেন সুন্দরর্যকে আরো শতগুন বাড়িয়ে দেয় । কমর পর্যন্ত লম্বা চুল ।যে একবার দেখে তাকে সে তার প্রেমে পড়ে যায়। ঠোঁটের মিষ্টি হাসি যেন তার সুন্দরর্যকে আরো বাড়ায় ।
বাবা : প্রেমামা তোমার পেকিং শেষ হোল ?
প্রেমা: এইতো বাবা আর একটু বাকি আছে প্রায় শেষ
বাবা : জানি মা তোমার খুব কষ্ঠ হচ্ছে সব ছেড়ে যেতে কিন্তু মা তুমি ত জানো তোমার দাদাজী চায় আমরা সবাই ঐ জায়গায় তাদের সাথে থাকি ।
প্রেমা : বাবা তুমি টেনসন করনা আমি ঠিক সবকিছু মেনেজ করে নিবো । **নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"**
বাবা: আমি জানি তুমি ঠিক সবকিছু পারবে
মা : তোমরা বাবা মেয়ে গল্প করছ ঐ দিকে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে । পাখি ( প্রেমার ছোট বোন) পিয়াস ( প্রেমার ছোট ভাই) তারা রেডি হয়ে আছে আমাদের বের হতে হবে একটু পর
প্রেমা: মা আমিও রেডি ।
সন্ধ্যা ৭ টায়
প্রেমা ও তার পরিবার প্লেনে
প্রেমা: কেন জানি মনে হচ্ছে আমার জিবনে নতুন কিছু হতে যাচ্ছে যা আমার জিবনকে পাল্টে দিবে। জিবনে নতুন কোনো অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে ।(মনে মনে)
এলিক্স : কিং কি কখনো মানবে না যে সে আর ফিরে আসবে না ।
রোজ : জানিনা । দিন দিন তার হিংস্রতা বেড়েই যাচ্ছে ।প্রতি দিন লাশ পাচ্ছে পুলিশ এভাবে হলে তো আমাদের অস্তিত্বের কথা সবাই যেনে যাবে । যে পৃথিবীতে সত্যি আমাদের মত রক্ত পিপাসু ভেম্পায়ার আছে। আমাদের ও রাজ্য আছে ।
এলিক্স : জানিনা কিং কবে তা মেনে নিবে আর এই হিংস্রতা বন্ধ করবে ।
অন্যদিকে
কিং: আজ ৫০০ বছর আমি তোমার অপেক্ষায় আছি । তুমি কি ফিরবে না?? আর কত অপেক্ষার পর তুমি ফিরে আসবে আমার কাছে বলো ??? দেয়ালে painting এর দিকে তাকিয়ে বলছে ।
প্রেমা তার পরিবারের সাথে বাড়িতে পৌছালো ।প্রেমা বাড়ির সামনে এসে পুরো অবাক হয়ে গেল এত বড় বাড়ি । বাড়ির সামনে অনেক বড় বাগানের এক সাইডে বড় ঝণা । পুরো বাড়ি সাদা রং এর ।দেখতে কোন রাজপ্রসাদ থেকে কম না। এতদিন শুধু বাবা মার মুখ থেকে শুনেছে আজ নিজের চোখ দিয়ে দেখে মনে হচ্ছে যা শুনেছে তা কমই ।তা থেকেও বেশি সুন্দর দেখতে।হঠৎ পিয়াস বলে উঠল
পিয়াস: বাবা এটা কি আমাদের বাড়ি??
বাবা : হুম
পিয়াস: আমরা এত বড় আর এত সুন্দর বাড়ি রেখে আমরা বাংলাদেশে ছিলাম কেন??? এখানে সবাই শুধু আমরা দেশে ছিলাম কেন???
হঠাৎ বাবার হাসি মাখা মুখ কালো হয়ে গেল । এই ও বাবাকে মাকে একই প্রশ্ন শতবার করেছি কিন্তু প্রতিবারই নিরাশ হয়েছি তারা কেন জানো প্রত্যেক বারই কোন না কোন কিছু বলে প্রশ্ন এবোয়েট করতো ।হঠ্যৎ কারো কথায় ধ্যান ভাঙ্গল
দাদাজী: এসে পরেছে আমার বাড়ির আলো । কেমন আছো প্রেমা ???
প্রেমা: ( সালাম দিয়ে ) জি ভালো দাদাজী।আপনি কেমন আছেন।
দাদীমা: এইতো আমার রূপবতী এসেছে । দিনে রূপ শুধু বাড়ছে ।তুইতো ছবি থেকে বেশি সুন্দর বাস্তবে ।কেমন আছিস তুই
প্রেমা: (মুচকি হেসে জরিয়ে ধরে)ভালো দাদীমা ।তুমি কেমন আছো।
দাদিমা: ভালো।
পাখি : সবাই শুধু আপুকেই আদর কর আমাকে কেউ আদরই কর না
দাদিমা : না তুইতো আমার ছোট পরি তোকে আদর না করে থাকা যায় (চুমু দিয়ে)
তখনই চাচা চাচী ফুপি ফুফা সবাই আসে সবার সাথে কথা বলছি তখনই আমার শয়তান cousin রা জরিয়ে ধরে ( দিয়া ,মুন ,রিয়া ,রিসা ,অমি ,আরিয়ান ) সবাই আমরা সমবয়সি সবাই এবার university te ।সবার সাথে আড্ডা দিলাম সবাইকে তাদের জন্য আনা gift দিলাম ।সবাই খুব খুশি ধন্যবাদ ও দিলো।
মুন আমাকে আমার রুমে নিয়ে গেল ।আমি রুম দেখে পুরো অবাক আনেক সুন্দর করে সাজানো । princess দের রুমের মত ।অনেক রড় রুম ।সাথে অনেক বড় বারান্দা যেইখান থেকে দূরের জঙগল দেখা যায়। আর আমার রুম নাকি দাদাজী আর দাদীমা নিজে সবকিছু করেছে।এত ভালোবাসে সবাই তাহলে কেন সবার থেকে এতদিন দূরে ছিলাম? কেন বাবা মা সবাই এ দেশ থেকে দূরে রেখেছে?? হঠাৎ মুনের কথায় হুস ফিরে
মুন: কি এত ভাবছিস??
প্রেমা:না কিছুনা
মুন:ফ্রেস হয়ে নিচে আয়
প্রেম: অকে।
খাবার টেবিলে
সবাই কথা বলছে আর খাচ্ছে।পিয়াস পাখি খুব খুশি সবাইকে পেয়ে ।নিজের পরিবার পূ্র্ন মনে হচ্ছে।পাখিকে এখানে এক স্কুলে ৩ তে আর পিয়াসকে ৯ এ ভর্তি করবে।আর আমি মুন আর অন্য cousin দের সাথে ভর্তি হব। সবাই খুব খুশি শুনে।আসার পর থেকে বাবা মা দাদাজী দাদীমাকে চিন্তিত দেখছি কিন্তু কেন কিছু বুজতে পারছি না।
রাতে
প্রেমা : কাল থেকে নতুন জিবন শুরু হবে ।কালকের ভোরের আলো জিবনকে রঙিন করে দিবে(বালিস জরিয়ে ধরে মনে মনে ) মিষ্ঠি হেসে ।
অন্যদিকে
মি. এবিক কাল থেকে আমাদের সবাইকে কাজ শুরু করতে হবে তুমি তৈরী তো কিং
কিং : হুম ড্যাড আমি তৈরী ।
মি.এবিক: খুব সাবধানে আর নিজের রাগের উপর কন্টর্ল কর ।ভুলে যেয়না তুমি এই রাজ্বের কিং । কিং অফ ভ্যাম্পায়ার ।
কিং : (শুধু মাথা নাড়াল)
মি এবিক: কাল ১০ টায় যেতে হবে
কিং : হুম
মি.এবিক চলে গেল আর কিং চলে গেল সেই অন্ধকার রুমে painting এর সামনে।
কিং: কেন যেন আজ মনে হচ্ছে তুমি খুব কাছে ।আমার আশে পাশে কোথাও আছো। তোমাকে খুব কাছে ফিল করছি।তুমি কি আমাকে ধরা দিবে না???আর কত অপেক্ষা করব তোমার ????কবে শেষ হবে অপেক্ষার প্রহর।
আর অন্যদিকে প্রেমা তার স্বপ্নে বিভোর সে জানেও না যে কাল তার জিবন নতুন মোর নিবে।তার জিবনে করো প্রবেশ হবে যে শত বছর তার অপেক্ষায় আছে ।কারো অপেক্ষার সমাপ্তি হবে।
.
গল্পঃ #ভ্যাম্পায়ার_লাভার (impossible love story)
পর্ব - ০২
লেখিকাঃ #Urme_Prema
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
সাদা bridal গ্রাউন পরা প্রেমা কারো দিকে যাচ্ছে চারদিক হাজারো ফুলে সাজানো ।মনে হচ্ছে তার বিয়ে তাকে প্রিন্সেসদের মত সাজানো হয়েছে ।আর তার সামনেই যেন তার প্রিন্স চামিং আর একটু সামনে গেলেই তাকে পেয়ে যাবে তার হয়ে যাবে ।তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সে যেই হাত দিবে তার পিছন থেকে তাকে কেউ ছুড়ি মেরেছে তার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে সে রেনননননননন বলে চিৎকার দেয় ।তার সামনের লোকটা প্রিন্সেসসসসসসসস।
হঠাৎ প্রেমার ঘুম ভেঙ্গে যায় আবার সেই স্বপ্ন সেই ছোট থেকে একই স্বপ্ন । ঘড়িতে সময় দেখে ৪:১৫ নামাজের সময় হয়ে গেছে ।নামাজ পরে রান্না ঘরে যায় যেহেতু সব কিছুর বক্সে নাম লিখা আছে তাই আর কোনো সমস্যা হল না তা খুজতে কফি বানিয়ে বারান্দায় চলে গেল । এক মনে বারান্দা থেকে জঙ্গলে তাকিয়ে আছে। তাকে যেন এই জঙ্গল আকর্ষন করে । তাকে কি যানো বলতে চায় হয়ত তার অতিত ।ভোরের আলো ফুটেছে আজ তার ফুপিরা চলে যাবে ।তাই সবাইকে surprise দেওয়ার জন্য সে ব্রেকফাস্ট তৈরী করবে । তাই সে কিচেনে চলে যায় ।আর রান্ন শুরু করে দেয় । সবাই ৮ টায় টেবিলে এসে দেখে নাস্তা রেডি ।সবাই দেখে অবাক এত কিছু কে করলো । সেন্ডুইস রোল মেংগো জুস খিচুরী মাংস পায়েস পরোটা ভেজীটেবল ।
দাদাজী : কে করলো এত কিছু
প্রেমা: আমি (সিড়ি দিয়ে নামতে নামতে ) সবাই তাকে দেখে অবাক লং স্কাট কালো টপর্স গলায় স্কার্ফ হাতে বেসলেট চোখে গাড় কাজল ঠোটেঁ হালকা লিপিস্টিক চুলগুলো ছারা একদম যেন পুতুল একটা ।
মুন :wow prema you looking like a doll. আমি তো crush খাইছি আজ পুরো university তকেই দেখবে
দিয়া : সত্যি আমিও crush খাইছি masallah
প্রেমা:হল তোদের অনেক হয়েছে এবার চুপ কর।
দাদিমা : এত কিছু তুই একা করতে গেলি কেন??
প্রেমা: সবাইকে surprise দেওয়ার জন্য তাছাড়া আমার রান্না করতে ভালো লাগে ।
মুন: seriously
প্রেমা: yea
সবাই একসাথে breakfast করে । তারপর সে আর তার কাজিন সবাই থেকে বিদায় নিয়ে রওনা দেয় university র জন্য
অন্যদিকে
মা :আমরা প্রেমাকে ইংলেন্ড নিয়ে এসে কোন ভুল করলাম না তো???
বাবা: না এবার এমন কিছু আমি হতে দেবনা ।
মা: তুমি বার বার কেন ভুলে যাও ওরা মানুষ না ভেম্পায়ার ওদের সাথে আমরা পারবনা ওরা প্রেমার রক্ত চায় ।প্রেমার pure blood যা কোটি মানুষের মধ্যে এমন একজনই হয়।যদি ওরা আমার মেয়ের কোন ক্ষতি করে (কান্না করে)
বাবা: চুপ করবে তুমি (ধমক দিয়ে) আমি আমার মেয়ের কিছু হতে দেবনা ১৩বছর যা হয়েছে তা আবার হতে দেবনা।ওরা কিছু করতে পারবে না।শুধু প্রেমার ১৯ বছর হওয়ার আপেক্ষা কর।
ঐদিতে university তে
সবার সাথে পরিচয় করাচ্ছে প্রেমার কাজিনরা । দিয়া রিয়া অমি আরিয়ান মুন । হঠাৎ জেক আসে মুনদের ফ্রেন্ড সে ও প্রেমার সাথে পরিচয় হয় । প্রথমে ডেপ ডেপ করে কতখোন তাকিয়ে থাকে তার পর তার সাথে পরিচয় হয়।তারা গল্প করতে থাকে ।হঠাৎ জেক বলে
জেক: আজ নতুন professor আসবে তোমরা জানো???
রিয়া : হুম শুনছি সে নাকি খুব handsome সব মেয়েদের crush good looking সবাই নাকি তার উপর ফিদা
অমি: তুই এত লুচু কেন
রিয়া: তোর কি । তুই মেয়েদের পিছনে গুরোস আমি কিছু। বলি তোকে
**নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"**
আরিয়ান: থামবি তোরা
দিয়া: তোরা কি শুরু করেছিস এখানে ঝগড়রা
এতখন ঝগড়া দেখছিলাম ওরা এমন কেন??? এই ভালো এই খারাপ শুধু ঝগড়া করে তাই ঝগড়া বন্ধ। করার জন্য বলাম
প্রেমা :আমি একটু লাইবেরীতে যেতে চাই তোমরা কেউ যাবে ??
মুন: আমি যাবো
জেক : আমিও যাবো
প্রেমা: ওকে চল
তারা যাবার পর
কাল ২ টি গাড়ি ডুকে সবাই হা হয়ে আছে প্রথম গাড়ি থেকে ১ টা ছেলে আর ১ টা মেয়ে বের হয় দেখতে অসম্ভ সুন্দর কালো ডেস পরা রোজ আর এলেক্স student first year এর
২য় গাড়ি থেকে একটা ছেলে বের হয় এরেন ( hero) 6 ফুট লম্বা brown color চুল ।গায়েরঁ রং ফর্সা ।নিচের ঠোটেঁ তিল আর বাম গালে তিল পুরো হিরোদের মত ।কোন খুদ নেই masallah। কালো জেকেট গায়ে । সব মেয়েরা হা করে আছে। New professor + টপ বিজনেজ ম্যান মি.এবিক এর ছেলে সবার crush এরেন যে তার রিসার্স এর জন্য university join করেছে।কোন মেয়েকে তার কাছে আসতে দেয়না ।খুব রাগি বদমেজাজী সবাই ভয় পায়।
এরেন: আমি university te এসেছি । এখন শুধু তাকে খোজার পালা । কে সে pure blooded মেয়ে???শুধু তাকে খোজার পালা ।
দিয়া: আমি ত পুরাই crush খাইছি
রিয়া : আমি তার উপর ফিদা হয়ে গেছি
এতখন দিয়া রিয়া এরেন কে দেখছিলো । দেখছিলো বললে ভুল হবে চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছিলো ।অমি আরিয়ান কিছু না বলে চলে গেল ক্লাসে ।তারা সিনিয়র প্রেমা দিয়া মুন রিয়া থেকে ।তারা 2nd year এ।
এদিকে
মুন : কিরে তোর হল ???
প্রেমা : না আর একটু সময় লাগবে । তোরা যা আমি বই গুলো নিয়ে সোজা ক্লাসে আসছি ।
মুন জেক যেতে চায় না কিন্তু প্রেমা জোরাজোরিতে যেতে বাদ্ধ হল।
প্রেমা যেই বই নিয়ে বের হবে তখন কারো সাথে ধাক্কা খায় ফলে তার সব বই পড়ে যায়।
প্রেমা: sorry sorry i am so sorry আমি খেয়াল করি নি ( বই উঠাতে উঠাতে )
এরেন লাইবেরীর দিকে আসছিল । তার এত মানুষের মধ্যে বিরক্ত লাগছিল।হঠাৎ কারো সাথে ধাক্কা লাগে যেই তাকে কিছু বলতে যাবে তার মুখে নজর পরে ।এরেন যেন ১০০০ বোল্ড এর shocked খায়। এ সে কাকে দেখছে তার সামনে যে আছে সে কি বাস্তবে আছে নাকি তার কল্পনা । সে কি সত্যি সে নাকি শুধু তার মত দেখতে । সত্যি কি সে ফিরে এসেছে নাকি এটা অন্য কেউ । এরেনের যেন পুরো দুনিয়াই ওলোট পালেট হয়ে গেল। সে তাকে ছুতেঁ গেল ।
প্রেমা : এতখন তার দিকে মুগ্ধ নয়নে চেয়েছিলাম শেন কত কালের চেনা তাকে দেখে যে কেউই প্রেমে পড়ে যাবে । হঠাৎ যখন সে তার হাত বারালো তখন ধ্যান ভাঙ্গল ।
প্রেমা: কি করছেন আপনি ??? এক ত ভুল করেছেন sorry না বলে আজিব ব্যাবহার করছেন ।
প্রেমা তার মত বক বক করছে আর এরেন শুধু তাকে দেখছে । অনেক কষ্টে নিজেকে কন্টোর্ল করে চলে গেল।
প্রেমা: আরে আরে আজিব লোকতো sorry না বলেই চলে গেল । দোষ তো তার ও ছিল।
প্রেমা ক্লাসে চলে গেল।
ক্লাসে
সবাই নতুন professor এর কথা বলছে । সে দেখতে এমন এটা ওটা। আর ছেলেরা শুধু জোলছে ।
দিয়া : কিরে তোর কি হয়েছে ??? রেগে আছিস কেন ??
প্রেমা : একটা আজিব লোকের সাথে ঝগড়া করে আসলাম ।
মুন : তুই আর ঝগড়া ( অবাক হয়ে)
প্রেমা: কেন কি হয়েছে ???
মুন : কখন দেখিনি তো তাই বিশ্বাস হচ্ছে না আর কি
প্রেমা: পিয়াস পাখির কাছে জিগাসা করিস ওরা সব বলে দিবে ।
সবাই ক্লাস করে ।নতুন প্রোফেসর নাকি জরুরি কোন কাজে চলে গেছে তার ক্লাস আজ হবে না । তাই প্রেমা ক্লাস করে তার কাজিন দের সাথে বাসায় চলে যায় ।
এদিকে
এরেন প্রিন্সেস ইলসার এর painting ar সামনে দাড়িয়ে আছে আজ যাকে দেখলাম এটা কি তুমি??? সত্যি কি আমার অপেক্ষা শেষ হয়েছে ?? সত্যি কি তুমি ফিরে এসেছো ??? আমার ৫০০ বছরের অপেক্ষা কি শেষ হয়েছ??? না কি সে শুধু তোমার মত দেখতে । সত্যি আমাকে জানতেই হবে।
.

0 Comments