গল্পঃ #ভ্যাম্পায়ার_লাভার (impossible love story) 

পর্ব - ০৩

 লেখিকাঃ #Urme_Prema . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . 




বাড়িতে এসে দেখে পিয়াস chocolate খাচ্ছে । 

প্রেমা: এই মটু এত চকলেট খাস কেন মোটা হয়ে যাবি তো 

পিয়াস : দেখ মা তোমার মেয়ে আমাকে আবার মটু বলসে 

মা: প্রেমা তুই বাড়িতে এসেই ঝগড়া শুরু করে দিলি ???

 প্রেমা : ও মা তুমি কেন বুঝনা ওর সাথে ঝগড়া না করলে ভালো লাগে না 

পাখি : আপি তুমি জানো ভাইয়া যে চকলেট খাচ্ছে তা তোমার গুলা তোমার রুম থেকে তা চুরী করেছে প্রেমা রেগে পিয়াস এর দিকে তাকালো পিয়াস তো ভয়েই দোড় দিলো প্রেমা ও তাকে মারার জন্য তার পিছোনে দোড় দিলো । রাতে গভীর ঘুমে প্রেমা ।কেউ একজন তার বারান্দা দিয়ে তার রুমে প্রবেশ করে ।তার পাশে বসে তার মাইন্ড পড়ার চেষ্টা করে কিন্তু সে পরতে পারছে না । 

এরেন:আমি ওর মাইন্ড পরতে পারছি না কেন । আমার তো মাইন্ড পরার ক্ষমতা আছে তাহলে কেন পরতে পারছি না। হঠাৎ তার ঘুমন্ত মুখের দিকে নজর গেল । দুনিয়ার সব মায়া যেন তার মুখে ।তার এই মায়া যেন আমাকে কাছে টানছে । তার ঘুমন্ত মুখ যেন নিসপাপ বাচ্চাদের মত । তার সেই গোলাপি ঠোঁট যেন আমাকে খুব কাছে টানছে । নেশার মত তাকে টানছে।খুব আলতো করে তার কপালে ঠোটেঁ নিজের ঠোঁট ছোয়ালো এরেন। তারপর তার থেকে দূরে যেয়ে তার হাতে চুমু দিয়ে 

এরেন: আমি জানি তুমি আমার ইলসা । আমার ভালোবাসা কারণ তোমার কাছে আসলে আমার সেই আগের মত অনুভুতি কাজ করে যখন আমি ইলসার সাথে থাকতাম । তোমার হাসি তাকানো কথা বলা সব কিছু এক ।তুমি ফিরে এসেছো আমার কাছে তা ই আমার সব পাওয়া হয়ে গেছে । এবার তোমার কোনো ক্ষতি আমি হতে দেবনা । নিজের চোখের আরাল হতে দেবনা আমি জানি তুমিই সেই pure blooded মেয়ে তোমার পিঠের সেই চিহ্নতে তা বোঝা যায় আজ সারাদিন তেমার উপর নজর ছিলো তোমার সব details জানি ১৩ বছর আগে তোমাকে বাংলাদেশে নেওয়ার কারনই ছিল এটা তোমাকে তারা মারতে চায় তোমার ১৯ বছর হলে তোমাকে বলি দিয়ে তারা অমর হতে চায় আমি ও তা চেয়ে ছিলাম (কান্না করে) কিন্তু এখন তা হতে দিবো না তোমাকে কেউ আচর ও দিতে পারবে না ( চোখ লাল হয়ে আছে রাগে) তোমাকে কখনো চোখের আরালই হতে দেবনা ( কপালে চুমু দিয়ে) সারারাত এরেন প্রেমাকে দেখে কাটিয়ে দিলো তার শত বছরের তৃষনা মিটালো ।ভোরে চলে গেল University তে 

প্রেমা : ওফ সবাই ক্লাসে চলে গেছে আজও আবার দেড়ি হয়ে গেছে । আজ আবার নতুন প্রফেসার এর ক্লাস আর প্রথম দিনই লেট

 জেক : hi prema 

প্রেমা : hello jack 

জেক: কি হয়েছে চিন্তিত কেন ?

 প্রেমা: আর বলনা আজ নতুন প্রফেসরের প্রথম ক্লাস আজই লেট হল স্যার যদি বকা দেয় শুনেছি সে খুব রাগি 

জেক : তুমি চিন্তা করনা তোমার মিষ্টি হাসি দেখলে সে আর রাগতে পারবেনা। এই হাসিতে ম্যজিক আছে । 

প্রেমা: হয়েছে এবার ক্লাসে চল এমনেই অনেক দেরি হয়ে গেছে ( হেসে বলল) 

জেক : উফফফ এই হাসি প্রেমা আর জেক ক্লাসে আসে কথা বলতে বলতে ।

 প্রেমা : may i come in sir ??? (না তাকিয়ে) স্যার: no প্রেমা সামনে তাকিয়ে ৪০০ বোল্ডের shock খায়। ভয়ে কাপতে থাকে....

 এরেন সকালে university তে আসার পর থেকে তাকে খুজছি কিন্তু কোথাও সে নেই। তাকে এত বছর পর ফিরে পাওয়ার পর তাকে নিজের আরাল করতে চাই না ।এক মূহর্ত তাকে না দেখে থাকতে পারছি না। তার ক্লাসে গেলাম কিন্তু তাকে পেলাম না ক্লাস শুরু ১০ মিনিট পর কেউ দরজার কাছ থেকে কারো কথা শুনলাম সেই চিরচেনা কন্ঠ । তার দিকে তাকালাম যা দেকলাম নিজের খুব রাগ লাগলো সে এক ছেলের সাথে ক্লাসে হাসতে হাসতে ডুকছে 

প্রেমা: সামনে তাকিয়ে দেখলাম কালকের ঐ ছেলেটা যার সাথে আমি কাল ঝগরা করেছি । তার মানে উনি ই নতুন প্রফেসর তার চোখ রাগে লাল হয়ে আছে এখনি মনে হয় আমাকে চিবিয়ে খাবে । আমি তো ভয়ে কাপতে থাকি । যদি কালকের ঐ ব্যাবহারের জন্য বকা দেয়।

 এরেন: ক্লাসের টাইম ১০ টায় এখন ১০:১৫ তুমি ১৫ মিনিট লেট তোমার ক্লাস করতে হবে না get out from here( রেগে ধমক দিয়ে বলল ) 

জেক : sorry sir plz forgive us

 প্রেমা : sorry sir .next time এমন হবে না ।actually sir লাইবেরীতে গিয়েছিলাম বই আনতে । ( কাদোঁ কাদোঁ হয়ে ) 

এরেন: ওকে দেখে মনে হল এখনি কেদে দেবে । ওর কাদোঁ কাদোঁ ফেস দেখে রাগ যেন কোথাও উদাও হয়ে গেল। 

এরেন: ok .this is your first and last warming . Come in class and go to your sit . ক্লাসে আসলাম দেখলাম সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে নিজের খুব খারাপ লাগছিল লজ্জা লাগছিল একটু দেরীর জন্য এভাবে অপমান না করলে ও তিনি পারতো হয়তো কালকের ঐ খারাপ ব্যবহারের জন্য উনি এমন করেছে । ক্লাস শেষে তার কাছে ক্ষমা চেতে হবে ।ক্লাসে এক মেয়ের সাথে বসলাম মেয়েটা আমাকে এতখোন দেখছিল যেন আমি কোনো এলিয়েন । 

রোজ : এতখোন কিং আর এই মেয়ের কথা শুনছিলাম মেয়েটা হুবাহু প্রিন্সেস ইলসা মত দেকতে যেন ইলসাই ।কিং তাকে দেখে এত নরমাল কি ভাবে আছে তা ই ভাবছি ।হঠাৎ কারো কথায় ধ্যান ভাঙ্গল। প্রেমা : hi i am prema 

রোজ: hel..hello my name is rose

 প্রেমা :are you ok??? 

রোজ: yes i am ok.আমাকে এই বেপারে এলেক্সকে জানাতে হবে।

 প্রেমা : আমরা friend হতে পারি??? 

রোজ: yes why not ক্লাস শেষ হল।সাথে সাথে আমার সব কাজিনরা জেকে ধরলো 

দিয়া: দেরি হল কেন? 

প্রেমা : (বড় নিশ্বাস নিয়ে) বললামই তো লাইবেরীতে ছিলাম।

 মুন: স্যার রেগে গেল কেন ? 

প্রেমা : হয়ত কালকের জন্য

 মুন দিয়া রিয়া : মানে????(চিৎকার দিয়ে)

 প্রেমা: কাল যার সাথে ঝগরা করেছি সে উনিই ছিলেন । 

তারা: what????( চিৎকার দিয়ে)

 প্রেমা: yea 

মুন: এখন কি করবি????

 প্রেমা: তার কাছে ক্ষমা চাবো ।sorry বলবো । সব কিছু নতুন করে শুরু করবো I hope he forgive me . দিয়া : তা ই যেন হয়। 

রিয়া: তুই এত কিউট ছেলের সাথে ঝগরা কি করে করলি । he is so handsome. সে যখন সামনে আসে আমি তো কথা বলা ভুলে যাই আর তুই ঝগড়া করিস 

প্রেমা : তুই চুপ থাকবি??? লুচু মেয়ে । ছেলে দেখলেই শুরু হয়ে যায়। তোরা থাক আমি গেলাম 

দিয়া: আ ...আরে প্রে প্রেমা যা চলে গেল মেয়েটা এরেনের রুমের সামনে প্রেমা বড় নিশ্বাস নিয়ে রুমে যায়। 

প্রেমা : may I come in sir

 এরেন: (সূক্ষ নজরে তাকিয়ে) yes come in 

প্রেমা: চুপ

 এরেন:কিছু বলবে ???? 

প্রেমা: ye...yes sir.actually sir i am sorry for my misbehavior .কাল আমার আপনার সাথে ঐ ব্যবহার করা ঠিক হয়নি ।স্যার আমরা নতুন করে সব শুরু করতে পারি । কালকের কথা প্লিজ ভুলে যান । (এক নিশ্বাসে কথা বলে যাচ্ছে )

 এরেন: ওর কথার মধ্যে কোন মনযোগ নাই । শুধু ওকে দেখছি মুগ্ধ হয়ে । তার প্রতি কথা তার কথার মাঝে মাঝে চোখ বড় করা ঠোঁট নড়া হাত নাড়িয়ে কথা বলা সব কিছু নিজেকে আর কন্টোর্ল করতে পারলাম না । 

প্রেমা: হঠাৎ তিনি আমার কোমড় টেনেতার কাছে নিলেন তার সাথে মিশিয়ে নিলেন কিছু বুঝার আগে তার ঠোঁট দ্বারা আমার ঠোঁট আকড়িয়ে নিলেন । 

এরেন:১৫ মিনিট পড়ে ছাড়লাম ও আমার বুকে ঢোলে পোড়ল ।তার কানের কাছ থেকে চুল সরিয়ে - এটা বেশি বক বক করার শাস্তি ( ফিস ফিস করে বলাম)ও এখনো shock এ আছে ওর এই ফেস দেখে হাসি আসছে ।(হাসি কন্টোর্ল করে চলে আসলাম) 

প্রেমা বরফ হয়ে দাড়িয়ে আছে...... গল্পঃ #ভ্যাম্পায়ার_লাভার (impossible love story) পর্ব - ০৪ লেখিকাঃ #Urme_Prema . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . প্রেমা:উনি বাকাঁ হেসে চলে গেল ।কতখন বরফ হয়ে গেলাম শরীর কাপছিল এটা আমার সাথে কি হলো ?? যে আমি কাউকে কোনো ছেলেকে নিজের কাছে আসতে দেইনি ১০০ হাত দূরে রেখেছি ।আর উনি আমাকে কিস করল । ভাবতে ভাবতে হাত ঠোটেঁ চলে গেল। তার রুম থেকে বের হয়ে গেলাম।ইচ্ছে করছে তার লম্বা তিরের মত নাকটা ভেঙ্গে ফেলি। দিয়া: কিরে sorry বলেছিস??? রিয়া : handsome কি বলল প্রেমা : ওদের কথায় খুব রাগ হল ।তাদের দিকে রাগি লুকে তাকালাম তারা ভয়ে চুপ হয়ে গেল। অমি ভাইয়া আর আরিয়ান ভাইয়া আসলো তাদের সাথে আমরা বাড়ি চলে আসলাম ।বাসায় কারো সাথে কথা বললাম না সোজা নিজের রুমে চলে আসলাম ।সারাদিন সবাই অনেক বার জিগাস করলো কারো কোন উওর দিলাম না কি ভাবে বলবো আমি নিজে ও এখন ও shock থেকে বের হতে পারলাম না। সারাদিন শুধু একটাই প্রশ্ন সে এমন কেন করলো ??? আমি তো তাকে ভালো করে চিনিও না ।শুধু কি রেগে করেছে না কি অন্য কোন কিছু???? কখন যে এগুলো ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম ।

 এরেন: আজ ওকে এত কাছে পেয়ে ওর নেশা যেন আরো গাড়ো হল।তাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে ।তাই চলে এলাম তার কাছে এসে দেখি ও ঘুমিয়ে আছে । অপূব লাগছে খুব ব্রাউন টপ আর প্লাজু পড়া । পরিদের মত লাগছে ।ওর কাছে চলে গেলাম । ওর হাত ধরে । 

এরেন:sorry sleeping beauty । কিন্তু দোষ আমার না তুমি কেন এত কিউট তোমার কাছে অদ্ভুদ শক্তি আছে যা আমাকে সবসময় কাছে টানে একদোম আগের মত। না আগে দূরে থাকতে পেরেছি না এখন পরবো । কালকে থেকে তোমাকে নিজের চোখের সামনে রাখার ব্যাবস্থা করবো। তুমি শুধু আমার ।আমার জন্য তোমাকে আবার ফিরতে হয়েছে।I love you amar janpakhi সারারাত তাকে দেখলাম যত দেখি তত তাকে দেখার নেশা বাড়ে । ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে চলে আসলাম। 

সকালে 

প্রেমা: সকালে ঘুম থেকে উঠলাম ।কাল রাতে কেন যেন মনে হয়েছে কেউ আমার রুমে ছিল ।কেউ আমাকে দেখছিল এটা শুধু কাল না গত ২ দিন থেকে মনে হচ্ছে। সত্যি কি কেউ ছিল নাকি শুধুই আমার ভুল ধারনা। রেডি হয়ে নিচে চলে গেলাম । খাবার টেবিলে সবাই এক সাথে নাস্তা করছি । 

হঠাৎ দাদাজী বলল 

দাদাজী: কাল মুনকে দেখতে আসবে ছেলের পক্ষ ।ছেলে আমার বন্ধুর নাতি ।ইন্জিনিয়ার ছেলে দেখতে ও মাশআল্লাহ । আমারা সবাই আবাক হলাম না কারন আমরা সবাই আগে থেকে জানি যে মুনের বিয়ে ঠিক দাদাজীর বন্ধুর নাতির সাথে। সবাই কালকের জন্য প্লান করলাম তার পর নাস্তা করে ।কাজিনরা university র জন্য বের হলাম। University গাড়ি থেকে নেমেই সামনে স্যারকে দেখলাম বাকা হাসি দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ।পুরো হিরোদের মত লাগছে তাকে।অন্য সময় হলে crush খাইতাম ।কালকের কথা মনে পরে গেল ভেংচি কেটে চলে আসলাম ক্লাসে। 

এরেন:জানপাখি তুমি জানোওনা আজ তোমার সাথে কি হতে যাচ্ছে।(বাকা হেসে) ক্লাসে 

প্রেমা: উনি ক্লাসে আসছে আমার খেয়ালই ছিলনা জেকের সাথে কথা বলছিলাম ।

 এরেন:ওকে অন্য কারো সাথে কথা বলতে দেখে রাগে শরীর কাপতে লাগলো । 

এরেন: miss .prema stand up 

প্রেমা: yes sir, 

এরেন:আমি যে ক্লাসে এসেছি তা কি তুমি দেখেছো ।(ধমক দিয়ে)

প্রেমা: sorry sir(দাতঁ চেপে)

 এরেন:it’s ok .last warning for you.now sit down ( দাতঁ কটকট করে) 

প্রেমা: পুরো ক্লাস উনি আমার দিকে রাগি লুকে চেয়েছিলেন but who cares উনি চলে গেল পরপর আরো ২টি ক্লাস শেষ হল ৪র্থ ক্লাসে principale আসলো সাথে এরেন স্যার ও । Principal :student আজ আমি তোমাদের কিছু কথা বলতে চাই তোমরা সবাই জানো যে মি.এরেন কার্রলেন পারমানেন্টলি আমাদের university তে জয়েন করে নি তিনি শুধু তার রিসার্স এর জন্য জয়েন করেছে ।তার রিসার্স এর জন্য he need a assistant ।তোমাদের মধ্যে থেকে যে কেউ একজনকে তার assistant করা হবে ।স্যার যে কেউকে তার assistant বানাবে আর তোমরা যে কেউ তার assistant হবা । মেয়েরাতো খুশিতে লাফাতে থাকে তার assistant হবার জন্য প্রেমার কোনো রিএকসন নাই কারন সে যানে তাকে এরেন চুজ করবে না কারন এরেনের সাথে তার অলওয়েজ ঝগড়াই হবে। Principal: স্যার আপনি কাকে চুজ করলেন assistant এর জন্য ????? প্রেমা টেনশন ফ্রি হয়ে জেক রেজের সাথে বকবক করছে। এরেন: প্রেমা.... সবাই প্রেমার দিকে তাকালো প্রেমা যেন ৮০০ বোল্ডের shock খেল ।তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে এরেনের কথা শুনে এরেন:এখন দেখবা তোমার সাথে কি কি হয় ।just wait and watch (বাঁকা হেসে ,মনে মনে) প্রেমা:উনি এত মানুষ থাকতে আমাকেই কেন চুজ করলো।খুব রাগ লাগছে । আমি উনার কাছ থেকে যত দূরে থাকতে চাই উনি ততই কাছে আসে ।কেন এমন করে Principal:প্রেমা তুমি আজ থেকে স্যারের assistant প্রেমা :ওকে স্যার (কিছু বলতে পারলাম না স্যারের কথার উপর)স্যার চলে গেল এরেন:ক্লাস শেষে আমার রুমে আসো (বলে চলে আসলাম) প্রেমা:শুধু মাথা নারালাম উনি যেতেই শুরু হয়ে গেল মেয়েরা কেন তাদের assistant বানালো না কেন আমাকে চুজ করলো ।সাথে আমার কাজিনরা ও শুরু হয়ে গেল । দিয়া : ওয়াও স্যার তোকে চুজ করলো রিয়া :আমার তোর সাথে হিংসে হচ্ছে প্রেমা:আমি কি তাকে বলেছি আমাকে চুজ করতে (চিৎকার করে) রিয়া : তুই খুশি হসনি ??? প্রেমা:মটেও না দিয়া :কেন??? এত handsome উনি সবার crush তোকে চুজ করেছে আর তুই খুশি হসনি ??? প্রেমা:আমি তোদের মত লুচু না ।আমার কোনো interest নাই উনার প্রতি ক্লাস শেষ হলো ।আসে পাশে উনি যেই পালানোর জন্য দেড় দিলাম সামনে কারো সাথে ধাক্কা খেলাম। প্রেমা :sorry sorry (সামনে তাকাতে তাকাতে ) আমি খে..(আর কিছু বলতে পারলাম না) সামনে উনি দাড়িয়ে আছে । বলে না যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধে হয়। এরেন:পালাচ্ছিলে মনে হয় (davil smile দিয়ে) প্রেমা:(কাদো কাদো ফেস নিয়ে) না তো এরেন:ওর হাত ধরে আমার কেবিনে নিয়ে আসলাম ।ওকে দেয়ালের সাথে ধরে বলতে লাগলাম কালকে বক বক করার শাস্তি কি ভুলে গেছো । প্রেমা:না বোধক মাথা নারালাম এরেন:পালানোর চেষ্টা করলে আজ শাস্তি ডাবোল হবে আজ ৩০ মিনিট হবে এর চেয়ে বেশি ও হতে পারে (devil smile দিয়ে) দেখলাম ও ভয়ে চুপসে গেছে ।তাই দূরে চলে আসলাম । প্রেমা :উনি দূরে যেতেই বড় নিশ্বাস নিলাম। এরেন:যাও কফি নিয়ে আসো প্রেমা:অবাক হলাম এরেন:কি হল যাও??? প্রেমা:স্যার আমি আপনার assistant maid না ।(রেগে বললাম) **নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"** এরেন:তুমি কি যাবে নাকি তোমাকে শাস্তি দিব(বাকাঁ হেসে) প্রেমা:না স্যাররররর(চিৎকার দিয়ে)আ....আমি যা...যাচ্ছি । এক দোড় দিলাম। কেনটিন থেকে কফি নিয়ে আসলাম ।তাকে দিলাম ।সে এক চুমুক খেয়ে আমার দিকে রাগি লুকে তাকালো ।আমি বুঝলাম না সে এভাবে কেন তাকিয়ে আছে ।তাই তাকে সাহস করে জিগাসা করলাম প্রেমা: এ....এই ভা...ভাবে কেননন তাকিয়ে আছেন??? এরেন:এটা কি নিয়ে এসেছো??? প্রেমা:কে..কেন কফি এরেন:এটাকে কফি বলে ??? আমি তো ভেবে ছিলাম করলার জুস ।নেও তুমি টেষ্ট করে দেখো(ধমক দিয়ে) প্রেমা:আনমোনেই তার কাছ থেকে কফির কাপটা নিলাম এক চুমুক দিলাম ।কই সব তো ঠি কই আছে ।তাকে বললাম প্রেমা: ঠি....ঠিকই ইতো আছে এরেন:দেখিতো (ধমক দিয়ে)। প্রেমা:সে এক চুমুক দিলো এরেন:হুম এখন ঠিক আছ( মুচকি হেসে) প্রেমা:আমি অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছি সে আমার খাওয়াটা খেল এরেন:ওকে অবাক হতে দেখে হাসি আসলো ।(হাসি কন্টোল করে ধমক দিয়ে ) এখানে চুপ করে বস(আমার সামনে বসতে বললাম) প্রেমা:তার ধমক শুনে তার সামনে চুপ করে বসে রইলাম ।অনেকক্ষোন হল সে কিছু করতে বললো না তার মত কাজ করে যাচ্ছে ।তাই সাহস করে বললাম প্রেমা:স্যা....স্যার আমি কিছু করবো??? সে লেপটপ বন্ধ করে আমার দিকে রাগি লুকে তাকালো।আমি বড় একটি শ্বাস নিলাম ।আমার খুব ভয় করছে এরেন:চুপ করে বসে থাকো (ধমক দিয়ে) প্রেম:oooo...ok sir (ভয়ে ভয়ে) এরেন:ওকে নিজের চোখের সামনে রাখার জন্য এত কিছু করা আমার কোনো assistant এর কোনো দরকার নাই এই সবকিছু করা তাকে নিজের সামনে সামনে রাখার জন্য চোখের আরাল না করার জন্য ।তাই এত কিছু করতে হল। প্রেমা:উনি আরো ২ ঘন্টা পর ছাড়লো ।মনে মনে তাকে বকতে বকতে বাসায় আসলাম সবাই অনেক আগেই চলে গেছে শুধু আমারই দেরী হল।বাসায় এসে দেখলাম দিয়া রিয়া মাকে আগেই জানিয়েছে আমি স্যারের assistant তাই আমার আসতে দেরী হয়েছে। বাসায় বাসায় এসে নিজের রুমে চলে আসনাম ।ফ্রেস হয়ে নিচে চলে আসলাম লান্চ করতে ।মা বললো মা:কাল university তে যেতে হবেনা ।কাল মুনকে দেকতে আসবে ছেলেদের বাড়ি থেকে । প্রেমা:কি যে শান্তি লাগছে।যাক কাল ঐ ডেবিলের অত্যাচার সহ্য করতে হবেনা। লাভ ইউ মা(চুমু দিয়ে) মা:এই মেয়ে যে কি করে কিছুই বুঝিনা রাতে এরেন:আবারও তাকে দেখতে আসলাম এটা যেন এখন অভ্যাস হয়ে গেছে।ও আমার নেশা।ভোরের আলো ফুটতেই চলে আসলাম। সকালে প্রেমা:ঘুম থেকে উঠেই ফ্রেস হয়ে মা ,ছোট মার(চাচী)মেজো মার (চাচী)সাথে কাজে লেগে গেলাম।সব কাজ শেষ করে মুনকে রেডি করলাম সব কাজিনরা মিলে আজ ও সারি পরেছে তাকে খুব মিষ্টি লাগছে।তার পর নিজে রেডি হতে চলে গেলাম।আজ কালো লং কামিজ পরলাম কোলো ওরনা কালো চুজপায়জামা ।চোখে গাড় কাজল হালকা গোলাপি লিপস্টিক ।ছোট stone এর টি প ।চুল গুলো ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে দিলাম ।আয়নায় নিজেকে দেকলাম না ভলোই লাগছে। অনেকক্ষোন ফোনটা বাজছে আননোন নাম্বার রিসিভ করলাম। 

প্রেমা:hello ওপাশ থেকে:ফোন ধরতে এতক্ষোন লাগে ???কই থাকো ???? প্রেমা:কে আপনি?আজিব ফোন দিয়ে এভাবে ব্যাবহার করছেন কেন ??? ওশাশ থেকে :আমি এরেন কার্রলেন ।৩০মিনিটের মধ্যে তোমাকে আমার কেবিনে দেখতে চাই।

 প্রেমা:অবাক হয়ে।স্যার আপনি ছিলেন ।কিন্তু স্যার আমি আসতে পারবো না। 

এরেন:তুমি কি চাও আমি তোমার বাসায় এসে শাস্তি দেই (রেগে দাতঁ চিপে বললেন) 

প্রেমা:noooo si......sir আমি আসছি ।উনি কেটে দিলেন ।উনার ভরসা নেই যদি সত্যি বাড়িতে এসে পরে তাই কাও কিছু না বলে চলে গেলাম university তে ।শুধু মুনকে বললাম সব কিছু বাসার সবাইকে যাতে মেনেজ করে । University তে এরেন:সকাল থেকে তাকে দেখছি না ।কিছু ভালো লাগছেনা ।ও যে আমার নেশা আমি যে আসক্ত ওর এই নেশায়।ওর উপর খুব রাগ হচ্ছে ।তখনি দরজায় 

প্রেমা: may I come in sir

 এরেন:come in রাগে দরজার দিকে তাকালাম সব রাগ যেন চলে গেল মুখ দিয়ে আনমনেই বের হল beautiful

 প্রেমা: ভিতরে চলে গেলাম ।উনি আমার দিকে একে এগিয়ে আসছে ।আমি পিচ্ছাছি ।দেয়ালের সাথে লেগে গেলাম উনি নেশা ভরা চোখে তাকিয়ে আছে ।আমার খুব কাছে এসে চুলের ক্লিপটা খুলে দিলো।চুল খুলে গেল।কানে কিস করে আস্তে আস্তে বললেন now you look perfect .গালে কিস করে দূরে দাড়ালেন ।আমি এখনো পাথর হয়ে আছি ।উনি এটা কি করলেন???? সব মাথার উপর দিয়ে গেল। এরেন দূরে দাড়িয়ে মুচকি হাসছে.... . 

চলবে.....