গল্পঃ #ভ্যাম্পায়ার_লাভার
(impossible love story)
পর্ব - ০৫
লেখিকাঃ #Urme_Prema
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
এরেন দূরে সরে মুচকি হাসছে ।প্রেমা এখন ও আগের মতই হয়ে আছে ।
প্রেমা:উনি এটা কি করলো ?কেন বার বার উনি আমার কাছে আসে?আজ তা তাকে জিগাসা করতেই হবে।
প্রেমা:আপনার প্রবলেম কি হুম ?কেন বারে বারে আমার এত কাছে আসেন ???কি হন আপনি আমার ??? কি হোন আপনি আমার ?? কি অধিকারে বারে বারে আমাকে টাচ করেন(রেগে চিৎকার করে)
এরেন:ওর খুব কাছে চলে গেলাম।ওর এই সব কথায় খুব রাগ হলো।ও কে দেয়ালের সাথে খুব শক্ত করে ধোরলাম ।
প্রেমা:উনি খুব শক্ত করে ধরলেন ।আমি যে ব্যাথা পাচ্ছি তার সেই দিকে কোন খেয়ালই নেই ।(কাদোঁ কাদোঁ হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছি) তার কোনো খেয়ালই নেই
এরেন:কি বললে তুমি?(ধমক দিয়ে)
তোমার উপর যদি আমার অধিকার না থাকে তাহলে অন্য করো কোনো অধিকার নেই।দুনিয়াতে সব চেয়ে বেশি তোমার উপর যদি কারো অধিকার থাকে তা হল আমার ।তুমি আমার না তো করো না ।(রেগে চিৎকার দিয়ে)
প্রেমা:কথা বলা ভুলে গেছি ।কি বলছে উনি শুধু নিশব্দে চোখের জল ফেলছি ।
এরেন:হঠাৎ ওর হাতের দিকে নজর গেল ।লাল হয়ে আছে আমার হাতের ছাপ বসে গেছে ।এই আমি কি করলাম? যাকে এত ভালোবাসি তাকেই কষ্ট দিয়ে দিলাম।কেন নিজের রাগের উপর কন্টোল রাখতে পারি না আমি ??কেন বার বার ভুলে যাই যে আমি একজন হিংস্র vampire ।আমার রাগ যে ওর জন্য ক্ষতিকর ।
এরেন:sorry sorry আমি ইচ্ছে করে করিনি ।রাগের বসে হয়ে গেছে।(চেয়ারে বসাতে বসাতে)
প্রেমা:উনি আমাকে চেয়ারে বসিয়ে আমার সামনে নিজেও হাটুঁ
গেড়ে বসে ।মলম এনে লাগিয়ে দিচ্ছে ।আমি শুধু তাকে দেখছি অপলোক দিষ্টিতে ।আমার সব কষ্ঠ যেন সে অনুভব করছে।ব্যাথা পেয়েছি আমি কষ্ঠ পাচ্ছে উনি।চোখে তার অজস্র ভালোবসা ।কেন জানো উনার প্রতি একটা অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছে।ঔষধ দিয়ে ।হঠাৎ করে উনি আমার কপালে চুমু দিয়ে ।আমার কপালের সাথে তার কপাল ঠেকিয়ে নেশা ভরা কন্ঠ বলতে লাগলো।আমি চোখ বন্ধ করে ফেলি।
এরেন:sorry .sorry agin তোমার থেকে দূরে থাকা যে আমার পক্ষে অসম্ভব ।তুমি আমার নেশা।যাতে আমি মারাত্বক ভাবে আসক্ত।তুমি কেন সব সময় আমাকে রাগিয়ে দেও।কেন তুমি এমন কর ?কেন তুমি কিছু বুঝোনা তোমার এই সব কথা আমার খুব কষ্ঠ হয়,রেগে যাই তোমাকে সব সময়ের মত কষ্ঠ দিয়ে ফেলি।
প্রেমা:উনার শেষের কথায় সাথে চোখ খুলি উনি এটা কি বললো ?সব সময়ের কথা?উনার সাথে তো আমার পরিচয় ২ দিনের তাহলে সব সময়ের কথা বললো কেন?আমার কি এর আগে কখনো উনার সাথে দেখা হয়েছে ??? আমার তো মনে পরে না ।তাহলে উনি সব সময় বলতে কি বুঝালো??
এরেন :দেখলাম আমার দিকে অভাক চোখে তাকিয়ে আছে ।হয়তো আমার শেষের কথা গুলো শুনে ।ওকে ওর অতিত জানতে দেওয়া যাবে না।আমার অস্তিতের কথা জানানো যাবেনা।যদি ও আমার থেকে দূরে সরে যায়?ঘৃনা করে?না না এটা হতে দেওয়া যাবেনা।আমাকে সামলাতেই হবে ওকে বুঝতে দেওয়া যাবেনা। তাই ওর থেকে দূরে সরে সাবাবিক হয়ে বললাম
এরেন:আজ ক্লাসে আসনি কেন?(রেগে বললাম) PopularBhola
প্রেমা:(উনার ধমকে ধ্যান ভাঙ্গল) ই..ইয়ে মা..মা..মানে স্যার আজ বাসায় মুনকে দেখতে আসবে তাই আম্মু না করেছে আসতে।(ভয়ে ভয়ে বললাম)
এরেন:তাহলে তুমি এতো সেজেছো কেন???(সুক্ষ নজরে তাকিয়ে)
প্রেমা:আসলে স্যার আমার সাজতে ভালো লাগে ।আর কাজিনরা জোর করছিল তাই(নিচের দিকে তাকিয়ে ওরনা হাতের আঙ্গুলে পেচাতে পেচাতে)
এরেন:এখন থেকে কম সাজবে ।(কঠিন গলায় বললাম)
প্রেমা:কিন্তু কেন স্যার???(উনার দিকে বড় বড় করে তাকিয়ে)
এরেন:আমি বলেছি তাই ( ধমক দিয়ে)
প্রেমা:শুধু হ্যা বোধক মাথা নাড়ালাম (ভয়ে ভয়ে)
এরেন:ওকে কতগুলো নোট দিলাম ।এগুলো কপি কর ২ ঘন্টার মধ্যে (লেপটপ এর দিকে তাকিয়ে বললাম)
প্রেমা:(আমি হা হয়ে তাকিয়ে আছি ফাইল গুলোর দিকে) ১ গুলো ২ঘন্টা কেন ২ দিনেও আমি পারবোনা।
এরেন:কি হল বসে আছ কেন কাজ শুরু কর quick (ধমক দিয়ে)
প্রেমা:তার ধমকে কাজ শুরু করে দিলাম ।মনে মনে তাকে বকতে লাগলাম।শুধু শুধু উনি আমাকে বকে।আমি উনাকে কি করি আজিব লোক ।কিছুই বোঝা যায় না এই ভালো এই খারাপ ।(মুখ ভেঙ্চি দিয়ে)
এরেন:ওকে শুধু দেখছি আরালে থেকে দেখছি ।ওর বারে বারে মুখের সামনে থেকে চুল সরানো ।মুখে কলম দিয়ে তা কামড়ানো।খুবই অপরূপ লাগছে তাকে।এভাবে সময় কেটে গেল।
প্রেমা: ৪ টায় কাজ শেষ হলো পুরো ৫ ঘন্টা লাগলো সব শেষ করতে ।আর ৫ ঘন্টা উনার সামনেই বসে ছিলাম ।এক মনে শুধু কাজই করেছি।সামনে তাকালাম দেখি উনি তাকিয়ে আছে।
প্রেমা:স্যা...স্যার কা...কাজ শেষ ।ফাইলগুলো উনাকে দিলাম।(নিচের দিকে তাকিয়ে)
এরেন:(ওর কথায় আমার ধ্যান ভাঙ্গল ) হুম দেও।ফাইল গুল চেক করলাম ।সবগুলো সব ঠি কই আছে।তাকে আর কোনো বাহানায় রাখতে পারলামনা ।হুম তুমি বাহিরে দাড়াও আমি আসছি।আমি তোমাকে বাসায় দিয়ে আসছি।
প্রেমা:না না স্যার আমি যেতে পারবো।আপনাকে কষ্ঠ করতে হবে না।(ভয়ে ভয়ে)
এরেন:তোমাকে কি আমি জিগাসা করেছি?(রেগে ধমক দিয়ে)
প্রেমা:ওকে স্যার (ভয়ে আমতা আমতা করে)
এরেন:বাহিরে ওয়েট কর গাড়ির চাবি নিয়ে আসছি।
প্রেমা:বাহিরে চলে আসলাম।মাঠে দাড়িয়ে আছি।কত গুলো ছেলে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে ।তাদের মধ্যে একজন ছেলে টি
স করছে।হঠাৎ একজন ছেলে হাত ধরে টানাটানি শুরু করে দিয়েছে।আমি চিৎকার করে বললামleave my hand ।কিন্তু সে ছাড়ছেই না।অনেক ভয় পেয়ে গেলাম ।কান্না করতে থাকলাম help me plz someone help me.কিন্তু কেউ আসে পাশে নেই ওরা আমাকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।আমি কান্নাই করছি।হঠাৎ কি যেন ঝড়ের গতিতে এসে যে ছেলে আমার হাত ধরেছিল তার গলা ধরে দূরে নিয়ে গেল।তাকিয়ে দেখি এরেন স্যার।
এরেন:I will kill you .ওকে টাচ করার সাহস করলি কিভাবে।she is only mine (রেগে গলা চেপে ধরে ) **নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"**
প্রেমা :দেখলাম ছেলেটা আর একটু হলে মরে যাবে ।তাই তাকে থামানোর জন্য তার কাছে গেলাম।অনেক কষ্ঠে ছেলেকে ছাড়ালাম ।আর একটু হলে মরেই যেত।তাকে নিয়ে গাড়ীতে আসলাম কিন্তু তার রাগ কিছুতেই কমছে না।অনেক জোরে ড্রাইভ করছে ।(আমি ভয়ে কচু মুচু হয়ে বসে আছি মনে হচ্ছে কিছু বললেই থাপ্পর দিবে)
এরেন:ওর জন্য ছেলেদের কিছু করতে পারলাম না।খুব রাগ হচ্ছে।কিন্তু আমি ওদেরকে তো ছাড়বো না।
প্রেমা: গাড়ি এসে বাড়ির সামনে থামলো।উনি আমার কাছে এসে গালে হাত দিয়ে।কপালে আলতো করে চুমু একেঁ দিয়ে বললো।
এরেন:নিজের খেয়াল রাখবে।সাবধানে থাকবে।
প্রেমা:(মাথা নাড়ালাম ) কেন যানো তার প্রতি অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছে।বাসায় চলে আসলাম।উনি চলেগেল ।
বাসায়
প্রেমা:কাউকে কিছু জানালাম না।বাসার সবাইকে মুন মেনেজ করেছে।আম্মু বললো মুনের engagement সামনের মাসে।তারা মুনকে খুব পছন্দ করেছে।ছেলেকে ও নাকি বাসার সবাই খুব পছন্দ করেছে।ছেলে নাকি খুব ভালো।দেখতে ও সুন্দর।মুনের বিয়ের কথা শুনে মন ভালো হয়ে গেল।ডিনার করে নিজের রুমে চলে আসলাম ।
রুমে
কেন যেন তার কথা খুব মনে পড়ছে । তার প্রতি স্পর্শের কথা মনে পড়ছে।তার প্রতিটি কথা মনে পড়ছে ।আচ্ছা কেন আমি তার কথা মনে করছি??? কেন মনটা এত অশান্ত???
প্রেমা:মনকে শান্ত করার জন্য বারান্ধায় গিটার নিয়ে চলে গেলাম।ইংলেন্ড আসার পর থেকে গিটার তেমন বাজানো হয়নি।রাত ১১ টা চার দিক শান্ত ।চোখ বন্ধ করে গিটার বাজাতে লাগলাম।
Khete hain kudha ne iss jaha main
Sabi ke liye kisi na kisiko hai banaya
Hai har kisi k liya tera milna us rab ka issara manu
Mujko banaya tere jasie kisi k liye (2)
Khuj tho hai tujse rabta ....
Khuj tho hai tujse rabta....
Kaise hum jane hai ka pata
Khuj tho hai tujse rabta
Tu hamsafar hai phir ka fikar hai
Jine ki wajah ahe hai marna isse k liye
Khete hai hai khuda ne iss jaha main
Sabi k liye kisi na kisi ko hai banaya
hai har kisi k liye............
চোখ বন্ধ করে গান শেষ করলো প্রেমা । আর দূরে থেকে কেউ মুগ্ধ হয়ে গান শুনছে।
গভীর রাতে
এরেন :ওকে প্রতি দিনের মত দেখতে আসলাম ।ওর কাছে বসলাম হাত ধরে।হাতে চুমু দিলাম।
এরেন:আজ তোমার এই হাত যে ধরেছে তোমাকে বাজে ভাবে ধরার সাহস করেছে ।তার উপযুক্ত শাস্তি তাকে দিয়েছি ।আর তা হল শুধু মৃত্যু ।তোমাকে আমি ছাড়া অন্য কেউ স্পর্শ করলে তার পরিনাম শুধু মৃত্যুই হবে।তোমার সবকিছুর উপর শুধু আমার অধিকার।পায়ের পাতা থেকে চুলের গোড়া পযর্ন্ত।I love you my sleeping beauty .you are only mine.I love you more than anything.
এরেন সারারাত প্রেমার কাছে বসে তাকে দেখে ভোর হওয়ার আগে কপালে আলতো চুমু দিয়ে চলে যায়।........
সকাল
প্রেমা:ঘুম ভাঙ্গল ৮ টায়।ঘড়ি দেখে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো।ঔ ডেবিলটা আমাকে ৯ টায় university তে থাকতে বলেছে ।আর আমি ঘুম থেকেই উঠেছি ৮ টায়।প্রেমা আজ তো তু গায়া।ডেবিলটা তোকে চিবিয়ে খাবে।নিজের সাথে বক বক করে রেডি হতে চলে গেলাম।রেডি হয়ে নাস্তা করে বাসা থেকে বের হলাম ।কাজিন দের রেখেই চলে আসলাম ।কারন আমাকে ক্লাস শুরু হওয়ার ১ঘন্টা আগে ডেবিলের রুমে যেতে হবে না হলে খবর আছে।university তে এসে দোয়া পড়ে তার রুমে ডুকলাম।না জানি কি শাস্তি দেয়। দেরি করার জন্য।
University তে
প্রেমা:may I come in siiiiirrrr(ভয়ে ভয়ে বললাম)
এরেন:yes come in. Congrats you are 30 minutes late .(রেগে দাতঁ চিপে বললো)
প্রেমা:actually s..si..sir.আ..আজ ঘুম থেকে উঠতে লেট হয়ে গেছে।
এরেন:ok .আজ প্রথমদিন তাই কিছু বললাম না।next time হলে খবর আছে(রেগে)
প্রেমা:ওকে স্যার আমি মনে রাখব ।আর লেট হবেনা।(নিচের দিকে তাকিয়ে)
এরেন:তোমার কাজে যাও।
প্রেমা:কাজ করতে লাগলাম।হঠাৎ করে একটা প্রশ্ন মাথায় আসলো ।ভাবছি করব না কি করবো না।না করলে আমার ভালো লাগবেনা ।তাই সাহস করে করেই ফেললাম।
প্রেমা:s..sir if you don’t mind I ask you a question??
এরেন:না বললে কি তুমি চুপ থাকবে???
প্রেমা:(নিচের দিকে তাকিয়ে রইলাম)
এরেন:ok বলো (পকেটে হাত দিয়ে)
প্রেমা: স্যার আপনি কি লেন্স ইউজ করেন আসলে যে দিন আপনাকে প্রথম দেখেছি সেদিন চোখের মনির কালার ছিল এক রকম এক রকম ।আর আজ এক রকম ???
এরেন:(ওর প্রশ্নে থমকে গেলাম ওকি তাহলে সন্দেহ করছেনা ওর সন্দহ দূর করতে হবে)হুম আমার চোখের প্রবলেম আছে তাই doctor বলেছে সবসময় লেন্স ইউজ করতে(মুখ শক্ত করে অন্য দিকে তাকিয়ে)
প্রেমা:ওওও
এরেন:তুমি কি কথাই বলবে না কি কাজও করবে???(ভ্রু কুচকে রেগে)
প্রেমা:না স্যার করছি(ভয়ে ভয়ে)নোট করতে লাগলাম।ক্লাস শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট আগে কেনটিনে গেলাম।সেখানে রোজ এলেক্স দিয়া রিয়া মুন অমি ভাইয়া আরিয়ান ভাইয়া আড্ডা দিচ্ছে আমি ও তাদের সাথে বসলাম ।রোজ আর এলেক্স এর সাথে বেশ ভালো বন্ধত্ব হয়েছে।তাদের থেকে জানতে পারলাম তারা এরেন স্যার এর কাজিন ।তারা মাঝে মাঝে অদ্ভদ ব্যাবহার করে ।প্রিন্সেস বলে ডাকে ।আজিব ।গল্প করতে লাগলাম।জেক আসলো।
জেক:hi guys what’s up
সবাই:hello
প্রেমা:কি খবর তোমার???
জেক:এইতো ভালো।তোমার ?
প্রেমা:হুম মোটামুটি আর কি।
জেক:কেন কি হয়েছে??
প্রেমা:আর বলোনা স্যারের অত্যাচারে জিবন তেজপাতা। মন খারাপ করে)
দিয়া:তুইই উনার ব্যপারে এগুলো বলস।উনি কত ভালো
প্রেমা:লুচু মেয়ে আমার জায়গায় একদিন থাক তাহলে বুঝবি উনি কি জিনিস
দিয়া:আমি তো চাই ই কিন্তু উনিই তো তোকে assistant বানালো
রোজ:প্রেমার জায়গা কেউ নিতে পারবেনা ও বিশেষ উনার কাছে।(মুচকি হেসে)
প্রেমা:উনার কাছে বিশেষ মানে????(বড় বড় চোখ করে)
রোজ:না আমি বলছিলাম কি তুমি সবার কাছে বিশেষ।
জেক:হুম তা ঠিক বলেছ ।(প্রেমার দিকে তাকিয়ে)
জেক:তোমরা কি জানো কাল কি হয়েছে?
অমি:কি???(জুস খেতে খেতে)
জেক :কাল আমাদের university র কতগুলো ছেলেকে হোস্টেল থেকে উঠিয়ে নিয়ে কে জানো তাদের মরে ফেলেছে।কি ভয়ানক মিত্যুই না দিয়েছে তাদের।চোখ উঠিয়ে ফেলেছে।হাত ছিড়ে ফেলেছে।আর সব চেয়ে আজব বিষয় হল তাদের শরিরে কোন রক্ত ছিল না।পুরো সাদা হয়ে ছিল।কি ভয়ানক মিত্যুই না দিয়েছে।আমার কাছে ছবি আছে।এই দেখ।
প্রেমা:ছবি দেখে আতকে উঠলাম।এই ছেলেগুলো তো কালকের ঔ ছেলেগুলো।কি ভয়ানক মিত্যু দিয়েছে।কিন্তু ওদের মারলোকে????স্যার ???এই না না আমি এগুলো কি ভাবছি।উনি কেন মারবে???কাল তো তখনি সব সমাধান হয়ে গিয়েছিল ।(মনে মনে) **নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"**
ক্লাসে
প্রেমা:স্যার আসলো কিন্তু আমার কোন খেয়ালই নেই।আমি জেকের সাথে কথা বলছিলাম নোট নিয়ে।হঠাৎ
এরেন:প্রেমা stand up (ধমক দিয়ে)
প্রেমা:(আমি ধমকে শব্দে ভয়ে দাড়িয়ে গেলাম)
এরেন:এটাকি ক্লাস নাকি কথা বলার জায়গা।ক্লাসে কি কথা বলতে আসো।ক্লাস থেকে বের হও ।(রেগে )
প্রেমা:স্যা....স্যার সরি।(ভয়ে ভয়ে)
এরেন:get out from my class (চিৎকার দিয়ে)
প্রেমা:উনার কথায় কেপে উঠি।সবাই আমার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে।সবাই হাসাহাসি করছে।আমার খুব কান্না আসছে।উনার এমন্ ব্যবহারে।কি এমন করেছি যে এমন ব্যাবহার করলো।
এরেন:i say get out from here.(রেগে চিৎকার করে)
প্রেমা:চলে গেলাম।(কান্না করতে করতে)
ক্লাস শেষে উনার রুমে গেলাম। PopularBhola
রুমে
প্রেমা:may I come in sir???
এরেন:yes come in
প্রেমা:(চুপচাপ রুমে ডুকে নিজের কাজ করতে লাগলাম।)উনার দিকে একবারের জন্যে ও তাকাই নি।উনার রুমের বুক স্লেফ গুছাতে লাগলাম।তার পর তার কফি দিলাম।
এরেন:দেখলাম ও আসার পর থেকে একবার ও আমার দিকে তাকাই নি।কিছু বলার আগেই সব কাজ করছে।বুজতে পারলাম হয়তো রাগ করেছে।আমার ওর সাথে এই ভাবে ব্যাবহার করা একদমই উচিত হয়নি।কিন্তু কি করব ক্লাসে যখন ওর সাথে ঔ ছেলেকে কথা বলতে দেখে মাথা রক্ত উঠে গিয়েছিল রাগের বসে ওর সাথে এই ব্যবহার করে ফেলেছি।ওর এই ভাবে চুপ থাকা মানতে পারছিনা।ভিতরে ভিতরে কুড়ে খাচ্ছে।
প্রেমা:স্যার আমার কাজ শেষ বাসায় যেতে হবে।অনেক দেরি হয়ে গেছে।(উনাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে চলে আসলাম)
এরেন:ওর এমন ব্যবহারে পুরো থ হয়ে রইলাম।ও যাওয়ার পর পর ই এলেক্স আর রোজ আসলো।
রোজ:কাল যেই ছেলে গুলো মারা গিয়েছে তা কি আপনি মেরেছেন কিং???
এরেন:হুম(সামনের দিকে তাকিয়ে পকেটে হাত দিয়ে ।
এলেক্স:কেন??এই ভাবে তো আমাদের অস্তিতো সামনে এসে যাবে।
এরেন:ওরা আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিসে হাত দিয়েছে শাস্তি তো ওদের পাওয়ারই ছিল।আর তোমাদের ভাবতে হবেনা ।আমি সব ব্যবস্তা করে রেখেছি যাতে আমাদের অস্তিত্ব সামনে না আসে।এখন তোমরা যেতে পার।(সামনের দিকে তাকিয়ে)
বাসায়
প্রেমা:সারাদিন বাসার কারো সাথে কথা বললাম না।নিজের রুমেই ছিলাম।আজ উনার অপমান খুব কষ্ট দিয়েছে।উনার এমন ব্যবহারে খুব খারাপ লাগছে।রাতে নিচে খেতে গেলাম না কয় একবার মা বাবা ডাকতে এসেছে কিন্তু তাদেরকে ভালো লাগছেনা বলে পাঠিয়ে দিলাম।রাতে সকালের কথা ভাবতে ভাবতে গুমিয়ে গেলাম কখন তা নিজেও জানিনা।
রাতে
এরেন:রাতে ওকে দেখতে ওর রুমে গেলাম।ও ছোট বাচ্চাদের মত ঘুমাচ্ছে।ওর কাছে চলে গেলাম।আজ পিচ্ছিটাকে অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলেছি।খুব অশান্তি লাগছে।আজ আবার ৫০০ বছর আগের কথা মনে পড়ে গেল।যেদিন থেকে এই হিংস্র ভেম্পায়ারের জিবনে প্রেম আসলো।ইলসা আমার জিবনে এসেছিল।যে হুবাহু প্রেমার মত দেখতেছিল।আমাদের প্রেম কাহিনী শুরু হয়।
অতিত
.
চলবে.....
গল্পঃ #ভ্যাম্পায়ার_লাভার
(impossible love story)
পর্ব - ০৬
লেখিকাঃ #Urme_Prema
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
অতিত PopularBhola
মানুষের ভাবনা যেইখানে আমাদের কে আমাদের অস্তিত্বকে খুজা শেষ হয়।সেখান খেকে শুরু হয় আমাদের রাজত্য যেখানে শুধু হিংস্স vampire থাকে তাদেএর অস্তিত্ব থাকে ।দুনিয়ার আরালে অন্য এক দুনিয়া যেখানে মানুষ রুপি হিংস্স vampire থাকে।যে দুনিয়ায় শুধু অন্ধকারই রাজত্য করে।যেখানে কোনো মায়া মমতা ভালোবাসার কোন অস্তিত্ব নেই ।শুধু হিংস্সতাই রাজত্য করে।ক্ষমতা,শক্তির নেশায় সবাই আসক্ত থাকে ।কে জানতো যে সব চেয়ে হিংস্র আর শক্তিশালি vampire রের মনেও প্রেম জাগবে।সেও রক্তের নেশা ভুলে প্রেমের নেশায় আসক্ত হবে।ভালোবাসা নামক কঠিন রোগটি তাকেও গ্রাস করবে।তার জিবনটাকেই পাল্টিয়ে দেবে।সে ও ভালোবাসবে যাকে বলে ভংঙ্কর ভালোবাসা।
Vampire kingdom
ভেম্পায়ার কিংডম যা তিনটি খন্ডে বিভক্ত প্রথম খন্ড যা মি.এবিক কার্লেন এর রাজত্য ।দ্বিতীয় খন্ড মি.এলেক্সজেনডার
ের আর তৃতীয় খন্ড মি .জেমসের ।তাদের সবার আলাদা আলাদা রাজত্য যা ভিন্ন দেশে অবস্তিত।কিন্তু সকল সিদ্ধান্ত তারা এক সাথেই নিয়ে থাকে।তারা ভেম্পায়ারদের পরিচালন করে থাকে ।তাদের নিয়ম নিতী তৈরী করে।তাদের শাসন করে থাকে।কেউ যদি এই নিয়ম ভাঙ্গে তাহলে তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হয় আর তা হল মিত্যু ।
মি.এবিক রাজত্য:মি.এবিকের রাজ্য সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী।তার ভেম্পায়ার প্রজারা অন্য সকল ভেম্পায়ারদের থেকে বেশি শক্তিশালী।আর তার সবচেয়ে বড় শক্তি হল তার ছেলে এরেন কার্লেন দেখতে অসম্ভব সুন্দর।সবার ক্রাশ।অনেক শক্তির অধিকারী যা হাজার হাজার বছরের মধ্যে একজন এমন এক ভেন্পায়ারের জন্ম হয়।তার শক্তির কাছে শত শত vampire এর শক্তি কিছুনা।সে অনেক শক্তির অধিকারী সে অন্য সকল মানুষের মত ও চলাচল করতে পারে রোদে তার কোন ক্ষতি হয় না।মানুষের মত মানুষের খাদ্য খেতে পারে।আর তার সবচেয়ে বিশেষ শক্তি হল সে অন্য কারো ব্রেইন পড়তে পারে তার মাথায় কি চলছে তা পরতে পারে।সে যেই হোক মানুষ হোক বা vampire সে সবার মন পড়তে পারে।আর রাজ্যের যুবরাজ।সে যা চায় তা নিজের করে নেই যে কোনো মূল্যেই হোক না কেন।যে জিনিসের উপর একবার নজর পরে তা তার চাইই চাই।
রাজ সভায়
এবিক:আগামী ২৫ তারিখ প্রিন্স এরেনের রাজ্য অভিশেক তার ২৩ বছর পূর্ন হবে ।কিং এলেক্সজেনডার আর কিং জেমসকে invite কর ।এবং সকল ভেম্পায়ারদের ও।কারন এরেনের রাজ্য অভিশেকের পরই আমাদের moonstone পাবার জন্য সকল রিচুয়াল শুরু করতে হবে।আর তার জন্য প্রিন্সেস ইলসা এবং প্রিন্স জনকেও উপস্তিত হতে হবে।কারণ তারা এই ভেম্পায়ার রাজ্যের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের পর এই ভেম্পায়ার কিংডোম তাদেরই রাজ করতে হবে।(রাজ্যের সকল ভেম্পায়ারদের সামনে বললো)
অন্যদিকে
এন্জেলা:এরেন তোমাকে সেই ছোট থেকে ভালোবাসি আর তুমি আমার দিকে তাকাও না।(এরেনকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে)
এরেন:আর তুমি এত নিলজ্জ কেন ??বারে বারে অপমান করি তার পর ও অবার আমার কাছে আসো।next time এমন কিছু করার চেষ্টা করলে জানে মেরে দেব।ভুলে যেওনা আমি এই রাজ্যের রাজা হব কতদিন পর আর তুমি আমার প্রজা।(এরেন শার্ট পড়তে পড়তে)
এন্জেলা:আমিতো তোমার হাতে খুন হতেও রাজি শুধু তুমি আমাকে আপন করে নেও(এরেন কে আবার জরিয়ে ধরে।)
এরেন:(রাগে জোড়ে ধাক্কা মেরে এন্জেলা দূরে গিয়ে পরে)তোমার সাহস হয় কি করে আমাকে আমাকে স্পর্শ করার।(কাছে যেয়ে গলা টি পে )তোমার মত নোংরা মেয়ের দিকে আমি তাকাই ও না।তোমার কোনো ক্লাসই নেই।তোমাকে আমি চোখের সামনে ও দেখতে চাই না।কাছে আনা তো দূরের কথা।(ছেড়ে চলে এলাম)
এন্জেলা:(এতখোন মনে হয়েছে জানটাই চলে যাবে)দেখে নেবো।তোমাকে তো আমার হতেই হবে।(রাগে ফুসতে ফুসতে)
রুমের বাহিরে
এলেক্স:আপনি রেগে আছেন কেন??কিছু হয়েছে??
এরেন:হুম ঔ এন্জেলা বার বার নিজের সিমানা অতিক্রম করে ফেলে যদি ও আজ আমার কাজিন না হতো তাহলে ওকে আগুনে পুরে দিতাম।(রাগে ফুসতে ফুসতে)
এলেক্স:আপনাকে তো কত মেয়ে পাওয়ার জন্য পাগল কিন্তু আপনি কাওকে কেন নিজের কাছে আসতে দেন না???
এরেন:কারন আমি তার জন্য অপেক্ষা করছি যাকে শুধু আমার জন্য দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছে।যে শুধু আমার ।যার উপর সম্পূর্ন আমার অধিকার।(পকেটে হাত দিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে বলে চলে গেল)
সন্ধ্যায়
রাজ্যে অভিশেকের অনুষ্টান শুরু হয়।এক এক করে সকলে উপস্তিত হয়।তখনি কিং এলেক্সজেনডার আসে তার একমাত্র মেয়ে ইলসাকে নিয়ে ।সে সকল ভেম্পা্য়ারদের মধ্যে সেরা সুন্দরী যাকে পাওয়া হাজারো ভেম্পায়ারের স্বপ্ন।যার সুন্দরর্যের জন্য তাকে দূরদূরান্ত থেকে আসে দেখতে।তার সুন্দরযের্র সাথে সাথে একটি অলৈকিক শক্তি ও আছে।আর তা হল সে যেকোন আক্রমন চোখ দ্বারা ফিরাতে পারে।
পার্টিতে
এবিক:welcome to my kingdom king alexgender and princess elsa.
এলেক্সজেনডার:কেমন আছো???
এবিক :ভালো ।তুমি?
এলেক্সজেনডার:ভালো।
এবিক:hi princess
ইলসা:hello king.how are you?(মুচকি হেসে)
এবিক:fine.you??
ইলসা:fine
এবিক:(এরেনকে ঢেকে)meet my son aren carlen.new king of this kingdom.তোমরা পরিচয় হও আমরা এদিক থেকে আসি।(মি.এবিক ও মি.এলেক্সজেনডার চলে যায়।
ইলসা:hi i am princess elsa (হাত বাড়িয়ে)
এরেন:(চোখের পলক ফেলতে পারছিনা।আমি আমার সামনে কাকে দেখছি কোন এনজেল নাকি কোন জান্নাতের কোন হুর ।পুরো কালো ফেন্সি ড্রেস পরা চুল গুলো ছারা।ঠোটেঁ লাল লিপস্টিক যাকে বলে চোখ ধাদানো সুন্দর।আজ প্রর্যন্ত কোন মেয়ের জন্য এমন ফিল হয়নি।ওর জন্য কেন এমন হচ্ছে।) hello i am aren.
ইলসা:আমি আপনার বিরত্বের অনেক কাহিনী শুনেছি ।(মুচকি হেসে)
এরেন:আমিও আপনার সৌন্দরর্যের কথা শুনেছি।আজ তা নিজ চোখে দেখেও নিলাম।সত্যি চোখ ধাদানো সুন্দর আপনী।(মুচকি হেসে)
ইলসা:ধন্যবাদ(লজ্জাময় হাসি দিয়ে)
রোজ আসে রোজ আর ইলসা কথা বলতে থাকে আর দূর থেকে এরেন শুধু ইলসাকে দেখছে তার অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছে।অন্যরকম ভালোলাগা যাকে বলে love at first sight ।
এলেক্স:কিং কি দেখছে?
এরেন:প্রিন্সেসকে(আনমনে )
এলেক্স:আপনি কোন মেয়ের দিকে তাকান না।তাহলে হঠাৎ তাকে দেখছেন???(অভাক হয়ে)
এরেন:ওকে আমার চাইই চাই।এক রাতের জন্য না হাজার রাতের জন্য।ওকে আমি ভালোবাসতে চাই ।নিজের কাছে রাখতে চাই।আর আমি এখন তারই ব্যবস্তা করবো।(প্রিন্সসের দিকে তাকিয়ে ডেবিল smile দিয়ে)
হঠাৎ প্রিন্সেসর সাথে একটি ছেলেকে দেখে তার যেন শরীর রাগে কিট কিট করতে থাকে প্রিন্সেস সেই ছেলের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে।আর সে ছেলে আর কেউনা কিং জেমসের পুত্র ।এরেন শুধু সুক্ষ নজরে তাদেরকে দেখছে।পার্টি শেষ হলো ২ কিংই এখানে থাকবে কারন সামনে মুনস্টোনকে পাওয়ার জন্য রিচুয়াল করতে হবে।
অন্যদিকে PopularBhola
ইলসা:সেই ছোট থেকে তোমার বীরত্বের কাহিনী শুনেশুনে কখন যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি তা নিজেও জানিনা।আজ তোমাকে সামনে পেয়ে নিজের এতো কাছে পেয়েও কিছু বলতে পারিনী।তোমাকে যে কতটা ভালোবাসি তা নিজের ও জানা নেই।সবাই আমাকে চাই আর আমি শুধু তোমার হতে চাই।তোমার জন্য কতটা পাগল তা হয়ত নিজের ও জানানেই।i love you aren.(বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে)
সকালে ......
সকালে
প্রিন্সেস ইলসা মহলের চারদিকের সুন্দর্রয দেখছে ।অপরূপ সুন্দরর্যে ভরা মহলটি।চারদিকে বিভিন্ন রকমের ফুল ফলের গাছ।সামনে একটি বড় লেক ।লেকের পানি ঝলঝল করছে।মুগ্ধ হয়ে প্রিন্সেস ইলসা তা দেখছে।অার দূর থেকে তাকে কেউ অপরূপ ভাবে দেখছে।তার নেশায় কেউ বার বার আসক্ত হচ্ছে।
এরেন:সকালে যখন বারান্দাতে আসলাম।দেখলাম প্রিন্সেস ইলসা ঘুরে ঘুরে মহলটি দেখছে অপরূপ লাগছে তাকে।অসম্ভব সুন্দর লাগছে ।যত বার তাকে দেখছি নতুন করে তার প্রেমে পরছি ।ততই তাকে পাবার নেশাটা বেড়ে যাচ্ছে।
ইলসা:হঠাৎ মহলের বারান্ধতে চোখ পড়লো ।দেখলাম কিং এরেন আমার দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছে।হঠাৎ রোজের কথায় ধ্যান ভাঙ্গল ।রোজের সাথে পুরো মহল ঘুরে দেখছি।সত্যি অনেক প্রচুর্যের সাথে মহলটি সাজানো।
বিকেলে
ইলসা:বাগানের দিকে ঘুরছি ।হঠাৎ পিছনে কারো আওয়াজ পেলাম।তাকিয়ে দেখি প্রিন্স জন(কিং জেমসের ছেলে)
জন:hi princess
ইলসা:hello prince (মুচকি হেসে)
জন:কেমন আছেন?
ইলসা:ভালো ।আপনি?
জন:ভালো।তো কেমন লাগছে এখানকার পরিবেশ??
ইলসা:অপরূপ সুন্দর ।
জন:আপনার থেকে বেশি সুন্দর না
ইলসা:(মুচকি হাসলাম) তার সাথে কথা বলতে লাগলাম।
এরেন:মহলে প্রিন্সেসকে দেখছিনা তাই তাকে বাগানের দিকে খুজঁতে লাগলাম।কিন্তু বাগানে গিয়ে যা দেখলাম তা দেখার জন্য একদমি প্রস্তুত ছিলাম না।প্রিন্সেসকে কালকের ঐ ছেলে কমোড় জড়িয়ে দরে আছে।রাগ উঠে গেল পুরো শরির রাগে কাপছে।সেখান থেকে চলে আসলাম।
ইলসা:হাটতে হাটতে কথা বলছিলাম কিসের সাথে যানো লেগে পড়ে যাচ্ছিলাম ।প্রিন্স জন ধোরলো যাতে পরে না যাই।হঠাৎ জোপের কাছ থেকে কিছু সরে যাবার শব্দ পেলাম।**নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"**
ইলসা:ধন্যবাদ প্রিন্স জন ।এখন আমাকে নিজ কক্ষে যেতে হবে।(চলে আসলাম)
ইলসা:নিজের কক্ষের দিকে যাচ্ছিলাম হঠাৎ হাতে টান অনুভব করলাম কে জানো একটি কক্ষের মধ্যে নিয়ে গেল।সামনে তাকিয়ে দেখি কিং এরেন ।অনেক রেগে আছে।চোখ গুলো লাল হয়ে আছে।কিছু বুঝার আগেই আমার কমোড় টেনে তার বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে আমার ঠোটেঁর উপর তার ঠোটঁ চেপে ধরলো ।আমি পুরো থ হয়ে আছি।কি হচ্ছে আমার সাথে উনি এগুলো কি করছে।কতক্ষন এভাবে ছিলাম নিজের ও জানা নেই।হঠাৎ উনি আমাকে ছেড়ে দিলো ।আমি চোখ বন্ধ করে আছি।এরেন নেশাগ্রস্ত কন্ঠে আমার গাল স্লাইড করতে করতে বলতে লাগলেন
এরেন:তুমি আমার বুঝেছো শুধু আমার।তোমার উপর সব অধিকার শুধু আমার।তোমাকে স্পর্শ করার শুধু আমার অধিকার।তোমাকে আমার চাই ই চাই।এক রাতের জন্য না হাজার রাতের জন্য ।শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত আমার চাই তোমাকে শুধু আমার রাজ্যর রানি না মনের রাজ্যের রানিও বানাতে চাই।।তোমাকে আমি ছাড়া কেউ কোন স্পর্শ করতে পারবে না।ঐ জন তোমাকে কোথায় ছুয়েঁছিল (কমোড়ে জোরে চাপ দিয়ে ) এখানে তাই না?ভালো করে শুনে রাখো আমার তোমাকে চাই ই চাই ।আর আমি যা চাই তা নিজের করে নেই।আর তোমাকে অন্য কোন ছেলের কাছে দেখলে আমি সব শেষ করে দেব।
ইলসা:আমাকে ধাক্কা দিয়ে ছেড়ে দিলো ।পাশের ফুলদানিটা ভেঙে চলে গেল।আমি পুরো অবাকের উপর আবাক হয়েছি।কি বলে গেল তিনি???উনি কি তাহলে আমাকে ভালোবাসে??(হাতটা ঠোটেঁর কাছে চলে গেল )আমার ভালোবাসার প্রথম স্পর্শ ছিল।আমিও যে তাকে ভালোবাসি সে কি তা বুঝেনা।আমিও তো তার হতে চাই ।কিন্তু সে তো আমাকে ভুল বুঝছে।তাকে আমার মনের কথা জানাতেই হবে।আমিও যে তাকে অতিরিক্ত চাই।
রাজ সভায়
ইলসা:রাজ সভায় আসলাম।এখানে আজ সবাইকে ডাকা হয়েছে।এরেন ও এসেছে কিন্তু একবারের জন্য আমার দিকে তাকাচ্ছেনা।আমি পুরোটা সময় তাকে দেখছি কিন্তু সে একবারের জন্যও তাকাচ্ছেনা।সে নিজের মত কাজ করেই যাচ্ছে।রাজ কার্য শেষ হলো ।তার সাথে আমাকে কথা বলতে হবে তাকে নিজের মনের কথা জানাতে হবে।তার ভুল ভাঙাতে হবে।
ইলসা:কিং এরেন আপনার সাথে আমার কথা ছিল(তার সামনে্ যেয়ে বললাম কিন্তু সে না শোনার মত চলে গেল খুব খারাপ লাগছে ।তার এই এরিয়ে চলাটা মেনে নিতে পারছিনা।ভিতরটা শেষ হয়ে যাচ্ছে)
এরেন:ওকে যতবার দেখি তত বার সেই বিকালের দৃশ্যটা চোখের সামনে আসছে।আর খুব রাগ লাগছে ।ইচ্ছে করছে সব শেষ করে দেই।ওর কথার গুরুত্ব না দিয়ে চলে আসেছি।
রাতে
ইলসা:বিকেল থেকে সে আমাকে ইগনোর করছে।তার এমন ব্যাবহারে আমার কান্না আসছে ।আমার কথাও সে শুনতে চাচ্ছেনা।আমাকে একবার সুযোগ তো সে দিক।আমি কি বলতে চাই একবার শুনুক।না না আমাকে তার ভুল ভাঙ্গাতেই হবে।(তার কক্ষে যাওয়ার উদ্দেশে বের হলাম)
ইলসা:তার কক্ষে গেলাম।সে বাহিরে জানালার দিকে তাকিয়ে আছে।চুপ করে রইলাম।
এরেন:কি চাই আপনার প্রিন্সেস????আমার কক্ষে কি???(সামনে তাকিয়ে)
ইলসা:আমার আপনার সাথে কথা আছে ।(করুন দিষ্টিতে তাকিয়ে)
এরেন:আমার আপনার সাথে কোন কথা বলার ইচ্ছা নেই।আপনি আসতে পারেন।
ইলসা:নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলামনা তার এমন ব্যবহারে।তাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে লাগলাম।
এরেন:স্থব্ধ হয়ে গেলাম।
ইলসা:সেই ছোট থেকে তোমাকে ভালোবাসি তোমার বীরত্বের কাহিনী শুনতে শুনতে কখন যে তোমার প্রেমে পরেগেছি তা নিজেও জানিনা।পাগলের মত তোমাকে ভালোবাসি।তোমাকে দেখার জন্য এখানে আসা ।সব ভেম্পায়ারা আমাকে পেতে চায় কিন্তু আমি তোমার হতে চাই ।তোমাকে ভালোবাসতে চাই রেন।বিকেলে আমার কোনো দোষ ছিল না আমি পড়ে যাচ্ছিলাম তাই জন আমাকে কমোড় ধরে বাচিয়েছে।আমাকে একবার কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে তুমি সরাসরি শাস্তি দিচ্ছো।তোমার এত কাছে এসে দূরে যাওয়া সহ্য করতে পারছিনা।তোমার এভাবে এরিয়ে চলা নিতে পারছি না।I love you aren.i love you .(কান্না করতে করতে)
এরেন:এতখোন তার কথা শুছিলাম ও আমাকে এত ভালোবাসে তা তো আমি জানতামইনা।ওকে নিজের দিকে ফিরালাম।ও কান্নাই করছে।ওর চোখের পানিগুলো নিজের ঠোটঁ দ্বারা শুষে নিলাম।তার ঠোটেঁ আলতো করে ঠোটঁ ছোয়ালাম।ও চোখ বন্ধ করে আছে। hhh
এরেন:হুসসসস..আমি চাইনা আমার কুইং কান্না করুক।sorry প্রিন্সেস না বুঝে এত কষ্ট দেবার জন্য ।আর কখনো এমন হবে না।i love you too my queen.(ওকে নিজের এত কাছে দেখে নেশা ধরে যাচ্ছে ওকে নিজের কোলে নিলাম)
ইলসা:ও আমাকে নিজের কোলে নিয়ে নিলো।ও আমাকে নিয়ে বিছানার দিকে এগোচ্ছে।আমাকে বিছানায় শুয়িয়ে আমার কপালে গভির ভাবে চুমু দিলো।তার আমার মুখে ঠোটেঁ অজস্র চুমু দিল।তার পর ও আমার দিকে তাকিয়ে নেশাগ্রস্থ কন্ঠে বললো
এরেন:তোমার কাছ থেকে আমার আর দূরে থাকা সম্ভবনা ।তোমাকে দূতো নিজের করে নেবো।এখনতো এক মূহুর্ত ও দূরে থাকতে পারছিনা।i love you (কপালে গভীর চুমু দিয়ে )
ইলসা:i love you too
এরেন:ওকে বুকে নিয়ে শুয়ে পড়লাম।
সকালে ....
চলবে.....

0 Comments